বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতে নতুন এক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (আইএইউপি)-এর সেমি-অ্যানুয়াল কনফারেন্স ২০২৬ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)।
সম্প্রতি লিথুয়ানিয়ার ভিলনিয়াস শহরে অনুষ্ঠিত আইএইউপির সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। আগামী ১৯ থেকে ২১ নভেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় এই প্রথমবারের মতো আইএইউপির কোনো সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আইএইউপি একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসিডেন্ট, উপাচার্য ও উচ্চশিক্ষা খাতের নেতারা যুক্ত রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটি উচ্চশিক্ষায় নীতিনির্ধারণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এ নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক ও একাডেমিক অর্জন। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক শিক্ষা অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়টির নেতৃত্ব, উদ্ভাবন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক শিক্ষা উদ্যোগ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।
সম্মেলনকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রেসিডেন্ট এবং নীতিনির্ধারকদের বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা এবং একাডেমিক বিনিময়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডিআইইউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বিশ্বমানের আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আতিথেয়তা ও সক্ষমতা তুলে ধরতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, এই আয়োজন সফল হলে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণ, গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ‘স্টাডি ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড শক্তিশালী হবে। তাদের মতে, বৈশ্বিক শিক্ষা নেতৃত্বকে স্বাগত জানানোর জন্য বাংলাদেশ এখন প্রস্তুত।