রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে ১৩ বছর পর আবারও গণমাধ্যমের সামনে হাজির হয়েছেন হোসে মরিনহো। এস্পানিওলের বিপক্ষে ম্যাচ সামনে রেখে তার দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম সংবাদ সম্মেলনটি ছিল ৪২ মিনিটের। সেখানে ২০টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পর্তুগিজ কোচ।
ঝাঝালো মন্তব্যের জন্য পরিচিত মরিনহোকে এবার অবশ্য দেখা গেছে বেশ ধীরস্থির ভূমিকায়। দলের কাছে নিজের চাওয়াগুলোও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। ড্রেসিংরুমে সুশৃঙ্খল ও সুস্থ পরিবেশের পাশাপাশি মাঠে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মানসিকতা চান মরিনহো। তার প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না; প্রাক-মৌসুম থেকেই যার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতে দলকে তিনটি নিয়ম বেঁধে দিয়েছেন মরিনহো। বড় তারকা হলেও নিয়ম ভাঙলে শাস্তি পেতে হবে। প্রস্তুতি ম্যাচেও তার কড়া মনোভাবের দেখা মিলেছে। ফিওরেন্টিনার বিপক্ষে ড্রয়ের ম্যাচে যেমন ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তেমনি শালকের বিপক্ষে বড় জয়ে খুশি হয়েছেন ‘স্পেশাল ওয়ান’।
রিয়ালকে নতুন স্বর্ণযুগ উপহার দেওয়ার লক্ষ্যেই দল সাজাচ্ছেন মরিনহো। রদ্রিকে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে আনতে না পারলেও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে ধরে রেখেছেন। পাশাপাশি দলে যোগ করেছেন ইয়ান দিওমান্দে, বার্নার্দো সিলভা, মার্ক কুকুরেয়া ও ইব্রাহিম কোনাতের মতো খেলোয়াড়দের।
আক্রমণভাগই মরিনহোর অন্যতম বড় শক্তি। কিলিয়ান এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও জুড বেলিংহামকে ঘিরেই তার মূল পরিকল্পনা। তাদের সঙ্গে দিওমান্দের গতি যোগ হলে রিয়ালের আক্রমণ আরও ধারালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চারজনকে একসঙ্গে খেলাবেন কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। গত মৌসুমে লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পের ওপরও এবার রিয়ালের সাফল্যের বড় দায়িত্ব থাকবে।