ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত এক বার্তায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্য উপসাগরে ‘বিদেশি শক্তিগুলোর’ কোনো স্থান নেই; যদি থাকে, তাহলে তা হবে ‘সমুদ্রের তলদেশে’।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হওয়ার পর তার স্থলাভিষিক্ত হন তার ছেলে মোজতবা খামেনি।
এরপর সাত সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ইরানিরা এখন পর্যন্ত মোজতবা খামেনিকে সরাসরি দেখেননি বা তার কণ্ঠ শোনেননি। তবে এর মধ্যে তার কয়েকটি বার্তা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা হয়।
বৃহস্পতিবারের (৩০ এপ্রিল) বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, ‘পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর তীরে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের ভাগ্য একই সূত্রে গাঁথা। কিন্তু যে বিদেশি শক্তিগুলো হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে লোলুপ দৃষ্টি নিয়ে এখানে এসেছে, সমুদ্রের তলদেশ ছাড়া এ অঞ্চলে তাদের আর কোনো জায়গা নেই।’
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী খামেনি আরও বলেন, ইরান এখন ‘আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ব্যবস্থার’ এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। ইরান তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রক্ষা করবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে প্রধান অমীমাংসিত বিষয়।
এদিনের এই বার্তা এমন সময়ে এলো যখন বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোতে দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ট্রাম্প মনে করছেন, ইরানকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে বসিয়ে যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য করার জন্য এটিই হবে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।