ভারতে কোনো কিছু নিয়েই কখনো ‘না’ বলা উচিত নয়। ফুল টাইম রাজনীতিতে যোগ দেবেন কি না, এ প্রশ্নের জবাবে এমনই মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা আশুতোষ রাঙ্কা।
তবে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ নিশ্চিত করা সিজেপি আপাতত পূর্ণকালীন রাজনীতিতে নামার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে।
সিজেপি বলছে, তরুণদের নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ের আন্দোলনকে শক্তিশালী করাই এখন তাদের প্রধান অগ্রাধিকার।
গতকাল শনিবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবি কেন্দ্রীয় সরকার মেনে নেওয়ার পর এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস তাদের আন্দোলনের ভবিষ্যৎ এবং সংগঠনটি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলে পরিণত হতে পারে কি না, সে বিষয়ে কথা বলেন।
আশুতোষ বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার একটাই ইচ্ছা, বাড়ি ফিরে একটু ঘুমানো, বিশ্রাম নেওয়া এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। গত কয়েক মাস ধরে বলতে গেলে বাড়ির বাইরেই ছিলাম। তাই এখন শুধু বিশ্রাম নিতে চাই এবং গত দুই মাসে যা ঘটেছে, তা নিয়ে ভাবতে চাই।
‘আমাদের সবার জন্যই এটি আবেগঘন মুহূর্ত। এটি গর্বের, আনন্দের এবং স্বস্তির সময়। এরপর পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেটাই দেখা হবে।’
রাজনীতিতে ক্যারিয়ার গড়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছেন কি না, এ প্রশ্নের জবাবে আশুতোষ বলেন, ‘আমার মনে হয়, ভারতে কোনো কিছু নিয়েই কখনো না বলা উচিত নয়।’
তবে পাশ থেকে সৌরভ দাস জোর দিয়ে বলেন, রাজনীতিতে নামা এখনই তাদের লক্ষ্য নয়।
সিজেপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের লক্ষ্য খুবই পরিষ্কার। আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। দেশে এরই মধ্যে ৭৫০ থেকে ৮০০টি রাজনৈতিক দল রয়েছে। কিন্তু তাদের কেউই তরুণদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
‘আমরা চাই, এই আন্দোলন এমনভাবে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ুক, যাতে ক্ষমতায় যে দলই থাকুক বা যে নেতাই থাকুন না কেন, তারা তরুণদের জন্য কাজ করতে এবং তাদের দাবি পূরণ করতে বাধ্য হন। এটাই এখন আমাদের এজেন্ডা।’