সিরিয়াকে ‘সন্ত্রাসে মদদদাতা রাষ্ট্রের’ তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই তালিকাভুক্তির কারণে সিরিয়ার ওপর কঠোর অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।
ওয়াশিংটন ও দামেস্কের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার পথে এটি আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গতকাল সোমবার সিরিয়ার আল-নুসরা ফ্রন্টকেও (পরবর্তী সময়ে হায়াত তাহরির আল-শাম বা এইচটিএস নামে পরিচিত) ‘বৈশ্বিক সন্ত্রাসী সংগঠনের’ তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে।
এইচটিএসের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীরা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সিরিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করে।
সংগঠনটির নেতা আহমেদ আল-শারা পরে দেশটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। এর মধ্য দিয়ে ১৩ বছরের বেশি সময় ধরে চলা গৃহযুদ্ধের পর দেশটি পুনর্গঠনের পথে এগোতে শুরু করে।
সোমবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আজকের এই পদক্ষেপ সিরিয়ায় আরও বিনিয়োগে সহায়তা করবে, যা দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদারে ভূমিকা রাখবে।’
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব পদক্ষেপ ‘সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’
তবে সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।
তারা বলেছে, সিরিয়ার ওপর বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করলেও ‘বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অবস্থান এবং সিরিয়ায় ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার অঙ্গীকারে কোনো পরিবর্তন আসবে না’।