আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালে নিষিদ্ধ এসি, ত্রুটিপূর্ণ বিল্ডিং!

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালে নিষিদ্ধ এসি, ত্রুটিপূর্ণ বিল্ডিং!

রাজধানীর মগবাজারের আদ্‌-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। বাইরে থেকে পরিপাটি আর ‘যাকাত ও সেবামূলক’ প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ঝোলানো থাকলেও, ভেতরে লুকিয়ে আছে এক নরককুণ্ড। যেখানে স্বয়ং স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকস্মিক অভিযানে গিয়ে খুঁজে পেয়েছেন দুর্গন্ধযুক্ত পানি আর অবৈধ বেকারি! আর এই বেকারির নোংরা পরিবেশের কারণেই হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার পরিণত হয়েছে মাছি আর তেলাপোকার অভয়ারণ্যে। সম্প্রতি একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে আসছে কেউটে সাপ। ঘটনার সত্যতা ঢাকা দিতে সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলাও চালিয়েছে হাসপাতালের স্টাফরা। আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের এই অন্ধকার সাম্রাজ্যের আদ্যোপান্ত নিয়ে নাগরিক প্রতিদিন-এর বিশেষ অনুসন্ধান।

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের ভেতর বিলাসবহুল সুইমিং পুল!

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের ভেতর বিলাসবহুল সুইমিং পুল!

একটি আদর্শ ও আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতালের প্রতিটি ইঞ্চি জায়গা বরাদ্দ থাকার কথা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম, আইসিইউ, সিসিইউ কিংবা অত্যাধুনিক ল্যাবের জন্য। অথচ রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো! ছয় নবজাতকের করুণ মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযানে হাসপাতালটির ভেতরেই খুঁজে পাওয়া গেছে এক বিশাল বিলাসবহুল ‘সুইমিং পুল’! একদিকে ওটি-র ভেতর মাছি আর তেলাপোকার নোংরা রাজত্ব, অন্যদিকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতালের ভেতরেই আমোদ-প্রমোদের এই সুইমিং পুল, সেবার আড়ালে আকিজ ও আদ্‌-দ্বীন কর্তৃপক্ষের এমন চরম খামখেয়ালি ও জালিয়াতির অন্দরমহল নিয়ে নাগরিক প্রতিদিন-এর বিশেষ অনুসন্ধান।

ওটির পাশেই তৈরি হতো আকিজের রুটি ও বাটারবন!

ওটির পাশেই তৈরি হতো আকিজের রুটি ও বাটারবন!

বাইরে আকিজ গ্রুপের মলাটবদ্ধ ঝকঝকে প্যাকেট। ভেতরে সুস্বাদু ‘আকিজ রুটি’ কিংবা ‘বাটারবন’। সাধারণ মানুষ পরম তৃপ্তিতে যে খাবার মুখে তুলছেন, তা কোনো অত্যাধুনিক ও হাইজেনিক কারখানায় নয়, বরং তৈরি হচ্ছিল মগবাজারের আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের ভেতরে। সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের আড়ালে হাসপাতালের ওটি-র (অপারেশন থিয়েটার) ঠিক পাশেই চলছিল আকিজ গ্রুপের এই বাণিজ্যিক বেকারির বিশাল যজ্ঞ। আর এই বেকারির ময়দা, চিনি আর নোংরা আবর্জনার কারণেই ওটি-র ভেতরে রাজত্ব করছিল ঝাঁকে ঝাঁকে মাছি আর তেলাপোকা। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযানে আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের এই ভয়ঙ্কর ‘বেকারি কেলেঙ্কারি’ এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

কেন সোনার কলস পেলেন অপু বিশ্বাস

কেন সোনার কলস পেলেন অপু বিশ্বাস

ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসের হাতে ‘সোনার কলস’। এমন কথা ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরের কাছে থেকে সেই গ্রহন করা সোনার কলস গ্রহনের সেই ছবিটি অপু বিশ্বাস শেয়ার করেছেন ফেসবুক তার ফেসবুক পেজে। এই সোনার কলসের রহস্যই কী? কিংবা কিভাবে তার হাতে আসলো এটি, তা নিয়ে অপু বিশ্বাস ফেসবুকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার ব্যাখ্যাটি তুলে ধরা হলো। অপু বিশ্বাস লিখেছেন, ‘ শিল্পী মানেই ভালোবাসা আর সম্মানের কাঙাল। জীবনে কখনোই অর্থ-বিত্তের হিসাব করিনি, চেয়েছি শুধু মানুষের ভালোবাসা। সেই ভালোবাসাই আমাকে আজকের আমি বানিয়েছে। পরিবার, দেশের মানুষ, দেশের বাইরে ছড়িয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষী অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা আর আশীর্বাদেই আমার পথচলা। কিন্তু জীবনে এমন একটি দিন আসবে, এমন সম্মান আমার জন্য অপেক্ষা করে থাকবে, কোনোদিন কল্পনাও করিনি। ভালোবাসা ও সম্মানের স্মারক হিসেবে একটি সোনার কলস! কথাটা শুনতেও অবিশ্বাস্য লাগে। অথচ সেটাই সত্যি হয়ে ধরা দিল আমার জীবনে। গতকাল বিকেলে আমি জিম করছিলাম। হঠাৎ চ্যানেল আই থেকে রহমান (সাংবাদিক আবদুর রহমান) ভাইয়ের ফোন। বললেন, ‘কোথায় তুমি? দ্রুত চ্যানেল আইয়ে চলে আসো, জরুরি কাজ আছে।’ কিসের জরুরি কাজ, কেন ডাকছেন—, কিছুই জানতাম না। বাসায় ফিরে তড়িঘড়ি করে রেডি হলাম। বসুন্ধরার বাসা থেকে ছুটে গেলাম তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আই অফিসে।